ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারি । Watergate scandal

ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারি Watergate scandal
Advertisement

 
ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারি সাংবাদিকতার ইতিহাসে অত্যন্ত আলোচিত একটি ঘটনা। সাংবাদিকতা বিষয়ের পন্ডিতগণ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার উদাহরণ দিতে গিয়ে প্রায় এ ঘটনাটির কথা উল্লেখ করেন।

ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারি র ঘটনাটি জনগণের সামনে আনার কৃতিত্ব দেওয়া হয় ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার দুই তরুণ সাংবাদিক বব উডওয়ার্ড এবং কার্ল বার্নসাস্টাইন কে। তারা একটি সিধেল চুরির ঘটনার অনুসন্ধান করতে গিয়ে ওয়াটার গেইট কেলেঙ্কারির মতো একটি বড় ঘটনার সন্ধান পান।
১৯৭২ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিচার্ড নিক্সন। ওয়াটার গেইট ছিল ওয়াশিংটন শহরের একটি হোটেল। এ হোটেলটি ছিল বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টির নির্বাচনী প্রচারণার অফিস ১৯৭২ সালের ১৭ জুন ওয়াটার গেইট ভবনে চুরি করার জন্য প্রবেশের অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
এ চুরির ঘটনাটি অনুসন্ধান করতে গিয়ে বের হয়ে আসে ওয়াটার গেইট কেলেঙ্কারির ঘটনাটি। নিক্সনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় তিনি বিরোধী দলের অফিসে আড়িপাতার যন্ত্র স্থাপন করেন এবং তার প্রশাসন এ ঘটনাটি ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা চালায়।
ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারি
১৯৭৩ সালের জুলাইয়ে সিনেটে ওয়াটার গেইট কেলেঙ্কারি তদন্ত কমিটির সাবেক সদস্যরা রাষ্টপতি নিক্সনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ সহ তথ্য উপস্থাপন করে।
এতে বলা হয়, রাষ্টপতি নিক্সনের
অফিসে একটি টেপরেকর্ডার ছিল যা দিয়ে তিনি অনেক কথোপকথন রেকর্ড করে রেখেছিলেন। উচ্চ আদালত নিক্সনকে এসকল টেপ আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় আর তিনি তা মেনে নেন।

এ ঘটনাটি ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকায় প্রকাশিত হলে জনগণ রাষ্টপতি নিক্সনের উপর ক্ষেপে যায়।  ১৮৭৪ সালে নিক্সনের বিরুদ্ধে মার্কিন কংগ্রেসে অভিশংসন বিল তোলা হয় ।

পরে চরম অবমাননা এড়াতে তিনি ১৯৭৪ সালের ৮ আগষ্ট সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে এক ভাষণে পরদিন থেকে তার পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এই ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় মোট ৪৩ জন কে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এর মধ্যে নিক্সন প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় অনেক কর্মকর্তাও ছিলেন।

50% LikesVS
50% Dislikes

Write a Comment

Share It