মানহানি কী । What is Defamation


Fareeha Tasrin Reeha

মানহানি কী ? What is Defamation?

যদি কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে এমনটা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও নিন্দাবাদ প্রণয়ন করে কিংবা সুনাম নষ্ট করার মত কোন কাজ করে, তবে সেই ব্যক্তি অপর ব্যক্তির মানহানি করেছে বলে গণ্য হবে।

Advertisement

The law of defamation is embodied in section 499 of the Pakistan Penal Code. It states:

” Whoever (1) by words either i) spoken or ii) intended to be read, or (2) by signs or by visible representations, (3) makes or publishes any imputation concerning any person (4) intending to harm, or knowing or having reason to believe that such imputation will harm, the reputation of such person, is said, except in the cases hereinafter excepted, to defame that person.”

যদি কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির মানহানি করে, তাহলে সেই ব্যক্তি ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, কিংবা অর্থদন্ডে, কিংবা উভয় দন্ডেই দন্ডিত হবে।

মানহানি

আরো জানুন …… গণমাধ্যম আইন ও সংবাদক্ষেত্রের সীমাবদ্ধতা

ব্যাখ্যা ১:

যে মৃত ব্যক্তির জীবন কালে তার সম্পর্কে কোন ঘটনার আরোপ করা হলে তার মানহানি ঘটতো, সেই মৃত ব্যক্তির সম্পর্কে সেই ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার আরোপ করা এবং সেই মৃত ব্যক্তির পরিবার বা আত্মীয় স্বজনদের কষ্ট দেওয়ার উদ্দেশ্যে অপ্রীতিকর ঘটনার আরোপ করা মানহানি বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:

Advertisement

কোন কোম্পানি বা সমিতি বা ব্যক্তিসমষ্টি সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন ঘটনার আরোপ করা মানহানি বলে গণ্য হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩:

বিকল্পের আকারে তিরষ্কার হিসেবে ব্যক্ত কোন ঘটনার আরোপ মানহানি বলে গণ্য হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৪:

কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন ঘটনার আরোপ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সেই ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, কিংবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় অথবা তার পেশার দিক থেকে সেই ব্যক্তির চরিত্র কে হেয় না করলে, কিংবা সেই ব্যক্তির প্রষিদ্ধি ক্ষুণ্ন না করলে, কিংবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণ্য অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচিকর বলে বিবেচিত, সে অবস্থায় আছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সেই ব্যক্তি সম্পর্কে সেই ঘটনার আরোপ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে বিবেচিত হয়।

কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ও আছে।

প্রথম ব্যতিক্রম:

যদি কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন ঘটনা সত্য হয় সেই ঘটনার উল্লেখ বা প্রকাশ জনহিতকর হয়, তাহলে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে সেই ঘটনার আরোপ মানহানির অপরাধ হবে না। জনকল্যাণের জন্য কিনা তা ঘটনাগত প্রশ্ন।

দ্বিতীয় ব্যতিক্রম:

কোন সরকারি কর্মচারী দায়িত্ব সম্পাদনকালে তার আচরণ কিংবা সেই আচরণে তার চরিত্র যতটুকু পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক শুধু ততটুকু পর্যন্ত তার চরিত্র সম্পর্কে সরল মনে সরল বিশ্বাসে কোন মতামত প্রকাশ করলে সে ক্ষেত্রে কোনরূপ মানহানির অপরাধ হবে না।

তৃতীয় ব্যতিক্রম:

কোন সরকারি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো আচরণ এবং সেই আচরণে সেই ব্যক্তির চরিত্র যতদূর পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক শুধু ততদূর পর্যন্ত তার চরিত্র সম্পর্কে সরল বিশ্বাসে কোনো মতামত প্রকাশ করলে তার দ্বারা কোনরূপ মানহানির অপরাধ হবে না।

চতুর্থ ব্যতিক্রম:

কোন আদালত বা বিচারালয় কার্যক্রমের কিংবা অনুরূপ কার্যক্রমের ফলে কোন বহুলাংশে সত্য রিপোর্ট প্রকাশ করা মানহানির অপরাধ নয়।

পঞ্চম ব্যতিক্রম:

আদালত কর্তৃক সাব্যস্ত কোন দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার গুনাগুন সম্পর্কে কিংবা অনুরূপ কোনো মামলার সাথে অন্যতম পক্ষ, সাক্ষী হিসেবে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তির আচরণ কিংবা সেই আচরণে সেই ব্যক্তির চরিত্র যতদূর পর্যন্ত তার চরিত্র সম্পর্কে সরল মনে বা সরল বিশ্বাসে কোন মতামত প্রকাশ করলে তা মানহানির অপরাধ হবে না।

লেখক : সাবেক শিক্ষার্থী

আইন অনুষদ , চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

100% LikesVS
0% Dislikes

Write a Comment

Share It