যোগাযোগ নীতিমালা মডেল । Communication Policy

যোগাযোগ নীতিমালার মডেল / জাতীয় যোগাযোগ নীতিমালার উপদানসমূহ

যে কোনো ধরনের নীতিমালা প্রনয়নে মডেলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যার মাধ্যমে নীতিমালা প্রনয়ন সহজ হয়।জাতীয় যোগাযোগ নীতি প্রনয়নের ক্ষেত্রে একটি বহুল ব্যবহৃত মডেল হচ্ছে Elements to National communication policy. ১৯৯৩ -৯৪ সালের দিকে van Quilenburg and slan এ মডেলটি প্রদান করেন পরবর্তীতে European journal of communication নামক জার্নালে jan van Quilenburg এবং Denis Mcquil তাঁদের Media policy paradigm shifts :Towards a New communication policy paradigm শীর্ষক আর্টিকেলে এ মডেলটি তুলে ধরেন।

Advertisement

জাতীয় যোগাযোগ নীতির মডেল

সাধারণ জনআগ্রহ

যোগাযোগ নীতিমালা মডেল
যোগাযোগ নীতিমালা মডেল

নিন্মে মডেলটির সংক্ষিপ্ত বনর্না তুলে ধরা হল-

১ সাধারণ জনআগ্রহ

মডেলের উপরে সাধারণ উদ্দেশ্য নিদের্শ করছে সাধারণ জনআগ্রহ। সাধারণ জনআগ্রহকে দুটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায় -উদ্দেশ্য ও মূল্যবোধ বা আকৃতি।

Know More………যোগাযোগ নীতিমালার সাধারণ  মূলনীতি

২ উদ্দেশ্য সমূহ

একটি জাতীয় যোগাযোগ নীতি জনস্বার্থে প্রণীত হবে। এর মূল লক্ষ্য থাকবে মানবকল্যাণ নিশ্চিত করা।এরূপ রাজনৈতিক সমাজিক এবং অর্থনৈতিক কল্যাণে বিদ্যমান থাকবে।

মূল্যবোধ / আকৃতি

  1. একটি দেশের জাতীয় যোগাযোগ নীতিমালা প্রনয়নের ক্ষেত্রে সে দেশে কি ধরনের গণতন্ত্র বিদ্যমান রয়েছে, যোগাযোগ মাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে কি না এ বিষয় গুলো বিবেচনা করতে হবে।
  2. দেশের সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সুযোগ সুবিধা গুলো নিশ্চিত করা।
  3. নতুন নতুন উদ্ভাবন গুলোকে সমাজের প্রয়োজনীয়তা সৃষ্টি করতে হবে। নতুন কর্মাসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে মুনাফা বা রাজস্ব নিশ্চিত করতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থা

এর অন্তর্ভুক্ত বিষয়সমূহ হল –

1 আধেয় এবং যোগাযোগ সেবাসমূহঃ

Advertisement

এক্ষেত্রে যে বিষয়সমূহ বিবেচনা করতে হবে তা হল-

  1. কিছু Tv চ্যানেল সংবাদ এবংতথ্যের জন্য বরাদ্দ থাকবে।
  2. কতিপয় চ্যানেল বিনোদন এবং সংস্কৃতি বিষয়ক অনুষ্ঠান করার জন্য বরাদ্দ থাকবে।
  3. একটি সংস্কৃতির তথ্য এবং বার্তা গুলোকে ওপর সংস্কৃতির সাথে বিনিময় করতে হবে। অথবা বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা র সাথে সংবাদ বিনিময় করা।

বিতরণ সেবাসমূহ

এক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়সমূহ হল-

  1. প্রকাশানা– যাবতীয় প্রকাশনা পত্রিকা ম্যাগাজিন পোস্টার যোগাযোগ নীতির অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
  2. ক্যাবল এবং সমপ্রচার -ক্যাবল চ্যানেল গুলোকে ডিস এন্টেনার মাধ্যমে গ্রাহকদের নিকট পৌঁছে দিতে হবে। অপর পক্ষে, এডকাবিং চ্যানেল গুলোকে টেরিষ্টরিয়াল সুবিধা দিতে হবে। যেমন – বাংলাদেশ টেলিভিশন।
  3. টেলিকমিউনিকেশন -একটা জাতীয় যোগাযোগ নীতিতে টেলিফোন মোবাইলসহ সংশ্লিষ্ট যোগাযোগ মাধ্যম অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

৩ সর্বশেষ ধরণ

এর অন্তর্ভুক্ত বিষয়সমূহ হলঃ মিডিয়া পলিসি- প্রতিটি দেশে গণমাধ্যমগুলো সাধারণত দুই ধরনের পলিসি মেনে চলে। এগুলো হল-

1. ইন – পলিসিঃ গণমাধ্যম নিজে এগুলো তুলে ধরবে।যেমন জেন্ডার পলিসি, নারী শিশুনীতি।

2.যোগাযোগ পলিসি- এটি বাংলাদেশ বিদ্যমান নেই। যা একটি সমন্বিত যোগাযোগ নীতি প্রনয়নের জন্য প্রয়োজন।

3.টেলিকমিউনিকেশন পলিসি- বাংলাদেশে বিদ্যমান রয়েছে। যেমন BTcL, মোবাইল ফোন অপারেটিং নীতিমালা।

100% LikesVS
0% Dislikes

Write a Comment

Share It